অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবারে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন বন্ধ ছিল। রেকর্ড শেষে আজ পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন চালু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ম্যারিকো বাংলাদেশের পর্ষদ। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬১ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৪ টাকা ৭৮ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকা ৯০ পয়সায়। লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল ২১ আগস্ট।
সর্বশেষ ৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩ হাজার ৮৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ম্যারিকো বাংলাদেশের পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৮৭ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪৬ টাকা ২৩ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩৯ টাকা ১৩ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৪৬ টাকা ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২২ টাকা ৯৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬০ টাকা ৬৪ পয়সায়।
মুম্বাইভিত্তিক এফএমসিজি কোম্পানি ম্যারিকো ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করে। ২০০৯ সালে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড নামে এটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৪০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৯৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১৫ লাখ। মোট শেয়ারের ৯০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক শূন্য ৪, বিদেশী বিনিয়োগকারী ২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডিএসইতে ম্যারিকো বাংলাদেশের শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ২ হাজার ৮৯২ টাকা ১০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১ হাজার ৯৮৭ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।